চন্দ্রনাথ পাহাড়, গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত ও মহামায়া লেক ভ্রমণের পর নিশ্চিন্ত ও ক্লান্তিহীন রাত্রিযাপনের জন্য সীতাকুণ্ড বাইপাস রোডের প্রাণকেন্দ্রে আমাদের অবস্থান। ৮ম তলার কোলাহলমুক্ত শান্ত পরিবেশ, আধুনিক ক্যাপসুল লিফট এবং পরিবারের উপযোগী সার্বক্ষণিক সেবা।
পর্যটকদের সংখ্যা, দিন ও মৌসুম (Season) অনুযায়ী সবচেয়ে সাশ্রয়ী ও আকর্ষণীয় অফার দেওয়া হয়। তাই রুমের নিশ্চিত বুকিং ও স্পেশাল ভাড়া জানতে সরাসরি নিচের নম্বরে কল অথবা হোয়াটসঅ্যাপ করুন।
ক্যাপসুল লিফট সুবিধা
৮ম তলায় সরাসরি লিফট
এসি ও নন-এসি রুম
পরিপূর্ণ আরামদায়ক শয্যা
২৪ ঘণ্টা সিসিটিভি
পারিবারিক পূর্ণ নিরাপত্তা
ট্যুরিস্ট ফ্রেন্ডলি
চন্দ্রনাথ ও সৈকতের কাছে
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি। প্রতিদিন শত শত পর্যটক আসেন চন্দ্রনাথ পাহাড় জয় করতে, গুলিয়াখালীর সোয়াম্প ফরেস্ট সৈকতে হারিয়ে যেতে কিংবা মহামায়া লেকে কায়াকিংয়ের রোমাঞ্চ নিতে। সারাদিনের দীর্ঘ ট্র্যাকিং ও ঘোরাঘুরির পর রাতে প্রয়োজন একটি নির্ঝঞ্ঝাট, পরিষ্কার, নিরিবিলি ও আরামদায়ক ঘুমের স্থান।
হোটেল কাতার ইন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পর্যটকদের এই প্রয়োজনকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে। সীতাকুণ্ড বাইপাস রোডের প্রাণকেন্দ্রে কাতার টাওয়ারের ৮ম তলায় অবস্থিত হওয়ায় এটি ধুলোবালি ও যানবাহনের তীব্র শব্দ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত। লিফটে চড়ে অনায়াসে উঠে যাওয়া যায় রুমে।
পরিবার, নারী ও শিশুদের জন্য শতভাগ নিরাপদ ও শালীন আবাসন।
৮ম তলায় সরাসরি আধুনিক লিফটে যাতায়াত, সিঁড়ি ভাঙার ক্লান্তি নেই।
ঢাকা-চট্টগ্রাম যেকোনো বাস থেকে নেমেই হোটেলে পৌঁছানো যায়।
লোডশেডিংয়ের ঝামেলামুক্ত সার্বক্ষণিক নিজস্ব পাওয়ার ব্যাকআপ।
দিন, বুকিংয়ের সময় ও অতিথি সংখ্যার ওপর নির্ভর করে সবচেয়ে সাশ্রয়ী স্পেশাল ছাড় নিশ্চিত করা হয়।
একাকী ভ্রমণকারী, কাপল কিংবা বড় পরিবার ও বন্ধু দল — সবার রাত্রিকালীন থাকার জন্য রয়েছে উপযুক্ত সুপরিসর ও সুসজ্জিত রুম।
সীতাকুণ্ডে ক্লান্তিহীন ও পরিচ্ছন্ন রাত্রিযাপনের জন্য আপনার প্রয়োজনীয় নিত্যপ্রয়োজনীয় সকল সামগ্রী প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
প্রতিটি রুমের গেস্টের জন্য নিরাপদ মিনারেল ড্রিংকিং ওয়াটার
সিল করা ফ্রেশ কোয়ালিটি টুথব্রাশ ও উন্নত পেস্ট কিট
সুগন্ধি ও প্রিমিয়াম গ্রেডের রিফ্রেশিং বাথ সোপ
ট্র্যাকিংয়ের ধুলোবালি দূর করে চুলে সতেজ অনুভূতি
সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত, নরম ও ধোয়া ফ্রেশ বাথ টাওয়েল
প্রতিটি বেড ও ওয়াশরুমের জন্য মানসম্মত সফট টিস্যু
প্রাথমিক চিকিৎসা, ব্যান্ডেজ ও জরুরি প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র
মজবুত ডোর লক, সিসিটিভি গার্ড ও শতভাগ পারিবারিক প্রাইভেসি
আমাদের বাস্তব রুম, সুপরিসর করিডোর এবং বাইরের মূল হাইওয়ে ও কাতার টাওয়ার ভবনের বাস্তব ভিডিও ক্লিপ সরাসরি প্লে করে দেখুন।
হোটেল কাতার ইন-এ আগত প্রত্যেক অতিথির জন্য আধুনিক সুবিধাগুলো নিশ্চিত করা হয়েছে যাতে কোনো ধরনের অসুবিধা ছাড়া একটি চমৎকার ভ্রমণ অভিজ্ঞতা লাভ করা যায়।
৮ম তলায় সরাসরি ওঠার জন্য রয়েছে আধুনিক ও দ্রুতগতির ক্যাপসুল লিফট। সারাদিন পাহাড় ও ট্রেইলে হাঁটার পর কষ্ট করে সিঁড়ি ভাঙার কোনো প্রয়োজন নেই।
প্রচণ্ড গরমেও প্রতিটি রুমে রয়েছে আধুনিক স্প্লিট এসি এবং পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের জন্য বড় জানালা, যা আপনার ক্লান্তি মুহূর্তেই দূর করবে।
ভ্রমণের ছবি বা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার কিংবা জরুরি কাজের জন্য প্রতিটি ফ্লোরে সার্বক্ষণিক দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা উপলব্ধ।
বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কোনো অবকাশ নেই। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য শক্তিশালী নিজস্ব জেনারেটর ব্যাকআপ সবসময় প্রস্তুত থাকে।
সার্বক্ষণিক সিসিটিভি ক্যামেরা, মজবুত রুম ডোর লক ও দায়িত্বশীল কর্মী। নারী, দম্পতি ও পরিবারের জন্য সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও শতভাগ গোপনীয়তা নিশ্চিত।
চন্দ্রনাথ পাহাড়, গুলিয়াখালী সি বিচ কিংবা মহামায়া লেকে যাওয়ার জন্য সিএনজি রিজার্ভ ও গাইডেন্স সংক্রান্ত পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করা হয়।
প্রতিটি গেস্টের জন্য উন্নত বাথ সোপ, রিফ্রেশিং শ্যাম্পু, টুথব্রাশ-টুথপেস্ট কিট, সফট টিস্যু পেপার এবং ১০০% জীবাণুমুক্ত ধোয়া ফ্রেশ কটন তোয়ালে প্রদান করা হয়।
পাহাড় ও ঝর্ণা ট্র্যাকিং শেষে হোটেলে ফিরে নিরাপদ তৃষ্ণা মেটাতে প্রতিটি রুমের অতিথিদের জন্য সম্পূর্ণ সিল করা ফ্রেশ বোতলজাত মিনারেল ওয়াটার সরবরাহ করা হয়।
চন্দ্রনাথ পাহাড়ে ট্র্যাকিং বা সৈকত ভ্রমণের সময় আকস্মিক চোট, মচকানো কিংবা শারীরিক অসুস্থতায় আমাদের সার্বক্ষণিক ফার্স্ট এইড ও প্রয়োজনীয় প্রাথমিক ওষুধ সেবা প্রস্তুত থাকে।
হোটেল কাতার ইন থেকে সীতাকুণ্ডের যেকোনো আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রে পৌঁছানো একদম সহজ ও কম সময়ের ব্যাপার।
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১১৫২ ফুট উঁচুতে অবস্থিত সীতাকুণ্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় ট্র্যাকিং স্পট। চূড়া থেকে মেঘের ভেলা ও চারপাশের সবুজ পাহাড়ের মনোরম দৃশ্য দেখা যায়।
সবুজ ঘাসের গালিচা ও ম্যানগ্রোভ বনের অদ্ভুত মেলবন্ধন। ভাটার সময় সবুজ চত্বরের মাঝে নালা বেয়ে সাগরের জলপ্রবাহ এক জাদুকরী রূপ ধারণ করে।
বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃত্রিম লেক। শান্ত পানিতে কায়াকিং করে পাহাড়ি খাঁজে ঘুরে বেড়ানো এবং লেকের গভীরে লুকানো ঝর্ণা দেখার অপূর্ব রোমাঞ্চ।
সুপ্তধারা ও সহস্রধারা ঝর্ণা এবং সমৃদ্ধ উদ্ভিদের সমারোহ। পরিবারের সাথে নিরিবিলি সময় কাটানো এবং পাহাড়ি ঝর্ণার পানিতে পা ভেজানোর আকর্ষণীয় স্থান।
সাগরের বুক চিরে চলে যাওয়া লম্বা জেটিঘাট এবং ঠান্ডা হাওয়ার অনুভূতি। তরুণ ভ্রমণপিপাসুদের ফটোশুটের জন্য খুবই আকর্ষণীয় এক গন্তব্য।
রোমাঞ্চপ্রেমীদের জন্য খাঁটি ট্র্যাকিং এক্সপেরিয়েন্স। ঝিরিপথ ও পাথুরে ধাপ পার হয়ে গভীর পাহাড়ি ঝর্ণার সৌন্দর্য আপনাকে মুগ্ধ করবেই।
যেকোনো ছবিতে ক্লিক করে বড় আকারে স্পষ্ট দেখতে পারেন। সব ছবি আমাদের হোটেলের বাস্তব দৃশ্য।
ঠিকানা:
কাতার টাওয়ার (৮ম তলায় আসুন), সীতাকুণ্ড বাইপাস রোড, সীতাকুণ্ড পৌরসভা, চট্টগ্রাম।
যেকোনো চট্টগ্রামগামী বাসে উঠে সুপারভাইজারকে বলুন 'সীতাকুণ্ড বাইপাস রোড কাতার টাওয়ার'-এর সামনে নামিয়ে দিতে। বাস থেকে নেমেই কাতার টাওয়ারের লিফটে উঠে সরাসরি ৮ম তলায় চলে আসুন।
অলংকার মোড় বা এ কে খান মোড় থেকে সীতাকুণ্ডগামী বাস অথবা সিএনজি/হাইস গাড়িতে সীতাকুণ্ড বাইপাস রোডের কাতার টাওয়ারের সামনে নামুন।
সীতাকুণ্ড রেলওয়ে স্টেশনে নেমে মাত্র ৫ মিনিটে রিকশা বা অটোরিকশায় সরাসরি কাতার টাওয়ারে পৌঁছানো যায়।
হোটেল কাতার ইন-এ বুকিং ও রাত্রিযাপন সম্পর্কে পর্যটকদের সচরাচর জানতে চাওয়া বিষয়াদি।
পর্যটকদের সুবিধার্থে ও সিজনাল স্পেশাল ডিসকাউন্ট নিশ্চিত করার জন্য রুমের সঠিক ভাড়া মোবাইল ফোনে সরাসরি বা হোয়াটসঅ্যাপে নির্ধারণ করা হয়। আপনার সম্ভাব্য আগমনের তারিখ, কত রাত থাকবেন এবং মোট সদস্য সংখ্যা জানিয়ে ০১৩৫৩-৬৪২৭৮৮ নম্বরে কল দিন বা হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করুন। মুহূর্তেই বুকিং নিশ্চিত করা হবে।
হোটেল কাতার ইন সীতাকুণ্ড বাইপাস রোডের আধুনিক বহুতল বাণিজ্যিক ভবন 'কাতার টাওয়ার'-এর ৮ম তলায় অবস্থিত। ভবনে আধুনিক ও দ্রুতগতির ক্যাপসুল লিফট সুবিধা রয়েছে। তাই পাহাড়ে হাঁটাচলার পরও কোনো রকম সিঁড়ি না ভেঙে অনায়াসে রুমে যাতায়াত করা যায়।
হোটেল কাতার ইন সম্পূর্ণ পারিবারিক ও মার্জিত নিয়ম মেনে পরিচালিত হয়। সিসিটিভি সার্বক্ষণিক নজরদারি এবং দায়িত্বশীল স্টাফদের কারণে পরিবার, নারী ও পর্যটকরা এখানে সম্পূর্ণ নিশ্চিন্তে ও নির্ভয়ে রাত্রিযাপন করতে পারেন।
হ্যাঁ, অবশ্যই! আমাদের ফ্রন্ট ডেস্ক এবং গেট ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে। ভোরে চন্দ্রনাথ পাহাড়ে সূর্যোদয় দেখতে যাওয়ার জন্য পর্যটকদের ভোরে বের হতে কোনো সমস্যা হয় না। প্রয়োজনে সিএনজি বা অটো ডেকে দেওয়ার ক্ষেত্রেও সাহায্য করা হয়।
হ্যাঁ, কাতার টাওয়ারের নিচতলায় গাড়ি ও মোটরসাইকেল পার্কিংয়ের পর্যাপ্ত সুব্যবস্থা রয়েছে।
দেরি না করে এখনই যোগাযোগ করে আপনার পছন্দের রুমটির ভাড়া জেনে নিন এবং অগ্রিম বুকিং নিশ্চিত করুন।